, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২০

বৃহস্পতিবার

বিষয় :

প্রকাশ :  ২০১৮-০৩-০৯ ১৬:৫৮:২৮

আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা সব সময় বাংলার মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করেন : ওবায়দুল কাদের

নিউজ ডেস্ক, বঙ্গনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম.

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণের স্মৃতি-বিজড়িত ৭ই মার্চ উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভাকে সফল করার জন্য তিনি এ কৃতজ্ঞতা জানান।

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ৭ই মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুধু বাংলাদেশের নয়, সারা বিশ্বের মানব সভ্যতার একটি প্রামাণ্য দলিল হিসেবে ইউনেস্কো স্বীকৃতি প্রদান করেছে। বাঙালি জাতির এক যুগসন্ধিক্ষণে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধুর দেয়া এই ধ্রুপদী ভাষণ সারা বিশ্বের বিভিন্ন সংকলন-প্রকাশনায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে বাংলাদেশের সকল জনগণের সংগ্রামী চেতনাকে গৌরবান্বিত করেছে। দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বুধবারের জনসভায় লক্ষ লক্ষ জনতার স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে যেন ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনা আবার সোহওয়ার্দী উদ্যানে ফিরে আসে। জনসভা পরিণত হয় জনসমুদ্রে। জনসভায় আওয়ামী লীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।

তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরম এবং নানা কষ্ট স্বীকার করে এই বিশাল জনসভার সঙ্গে একাত্ম হতে যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের সকলকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আমি কৃতজ্ঞতা জানাই। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।

বিবৃতিতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বঙ্গবন্ধুর রক্ত ও আদর্শের উত্তরাধিকার রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। জনসভায় লক্ষ লক্ষ মানুষের উপস্থিতি বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার প্রতি বাংলাদেশের মানুষের অকুণ্ঠ সমর্থন ও আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা সব সময় বাংলার মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করেন। এ কারণে আওয়ামী লীগ সাধারণত সাপ্তাহিক কর্মদিবসে কোনো বড় ধরণের রাজনৈতিক কর্মসূচির আয়োজন করে না। কিন্তু ৭ মার্চের দেয়া বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী ভাষণ দল-মত-নির্বিশেষে বাঙালির সম্পদ, বিশ্বের সম্পদ। ঐতিহাসিক এই দিবসের তাৎপর্য ও গুরুত্ব বিবেচনা করে বুধবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচির কারণে রাজধানী ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাপনায় কিছুটা বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। রাজধানীর কোনো কোনো সড়কে স্বাভাবিক যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় জনগণের যাতায়াতে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যান চলাচল ও মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে সাময়িক ভোগান্তির জন্য দুঃখ প্রকাশ করে ধৈর্য ও সহনশীলতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কর্মসূচিকে সহযোগিতার জন্য নগরবাসীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

আরো সংবাদ