, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

সোমবার

বিষয় :

প্রকাশ :  ২০১৮-০৩-০৪ ১৩:৩৭:২২

৭ই মার্চের জনসভা ইতিহাস গড়তে চায় : ওবায়দুল কাদের

নিউজ ডেস্ক, বঙ্গনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম.

আগামী ৭ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসভা করার টার্গেট আওয়ামী লীগের। এমনটি জানিয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার বিকেলে ৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা সফল করার লক্ষ্যে মাঠপরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের প্রস্তুতি পুরোদমে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের টার্গেট রয়েছে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জনসভা করার। এখন পর্যন্ত আমাদের নেত্রী চারটি বিভাগীয় জনসভা করেছেন। ওই চারটি বিশাল জনসভায় পরিণত হয়েছিল। যা নজিরবিহীন। আমরা আশা করি গত চারটি জনসভার চাইতেও বিশাল রূপ নেবে আগামী ৭ মার্চের জনসভা। ওইদিন আমরা ইতিহাস গড়তে চাই।

তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন। একদিকে বর্তমানের করণীয় এবং আগামী নির্বাচন সামনে রেখে আমাদের যার যার যা দায়িত্ব সেটা তিনি স্মরণ করিয়ে দেবেন। বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন ও অর্জনের প্রতি জনগণের আস্থা আছে কিনা- সেটাও তিনি এ জনসভার মাধ্যমে পরিমাপ করবেন। ইতোপূর্বে চারটি জনসভা প্রমাণ করেছে, ইনশাল্লাহ বাংলাদেশ আজ জেগেছে; অসাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জনগণ ঐক্যবদ্ধ।

‘বাংলাদেশ আজ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের পথে রয়েছে। উন্নয়নে দেশের মানুষও খুব খুশি। তার সততা, তার নেতৃত্ব, তার কর্মজীবন এবং দেশের জন্য বঙ্গবন্ধুকন্যার যে কমিটমেন্ট, সে কমিটমেন্টের রাজনীতি আজ তার সোনালী ফসল।’

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার নেতৃত্ব দিয়েছেন আর তার কন্যা শেখ হাসিনা অর্থনৈতিক মুক্তির নেতৃত্ব দিচ্ছেন। সেই মুক্তির উন্নয়নের মহাসড়কে আজ আমরা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছি। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে পরিকল্পনা তিনি এ জনসভার মাধ্যমে জনগণের সামনে তুলে ধরবেন। যা হয়েছে তিনি তা বলবেন এবং ভবিষ্যতে যা করণীয় সেগুলোরও দিকনির্দেশনা দেবেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী নির্বাচন যেন অসাম্প্রদায়িক মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ আমরা গড়তে পারি এবং সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে পরাজিত করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি যাতে বিজয়ী হয় সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ৭ মার্চ নতুন পথযাত্রা সূচনা করতে যাচ্ছি।

জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব অপশক্তিকে প্রতিরোধ করতে চাই জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, জাফর ইকবালের ওপর হামলা মানে মুক্তিযুদ্ধের শক্তির ওপর হামলা। ওই হামলার নেপথ্যে যেই হোক না কেন তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, ঢাকা উত্তর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ