, রোববার, ৪ ডিসেম্বর ২০২২

প্রকাশ :  ২০২২-০৫-১৮ ১১:৩১:০৭

যারা কথা বলে তাদের কারাগারে ভরে দিচ্ছে এ সরকার : গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘বিনা ভোটের সরকার, রাতের ভোটচুরির সরকার কাউকে কথা বলতে দিচ্ছে না, যে–ই কথা বলে তাকেই আদালতে পাঠিয়ে দিচ্ছে।’

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে গয়েশ্বর রায় এসব কথা বলেন। আজ বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ সমাবেশ হয়।

গয়েশ্বর চন্দ্র বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে সবার আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। রিদওয়ান আহমেদ আত্মরক্ষার জন্য গুলি চালিয়েছে এবং পরবর্তীতে থানায় আশ্রয় নিতে গেলে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়ে দেয়। এটা তো কোনো বিচার হতে পারে না।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এখন একটাই। দখলবাজ, জনগণ দ্বারা নির্বাচিত নয়, সরকারকে পতনের মাধ্যমে এ দেশের গণতন্ত্র এবং জনগণকে মুক্ত করতে হবে। আজ কারাগারভর্তি মানুষ। যারা কথা বলে তাদের কারাগারে ভরে দিচ্ছে এ সরকার। আমাদের অতিবিলম্বে সব জনগণকে নিয়ে রাজপথে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করে এ দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হবে।’

সমাবেশে এলডিপির বক্তারা বলেন, সরকার ভোট চুরি করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে আছে। জনগণের অধিকার কেড়ে নিয়ে সবাইকে হামলা-মামলা দিয়ে কথা বললে কারাগারে পাঠিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনী দিয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাই। এ জন্য সাবেক মন্ত্রী রেদোয়ান আহমদেকে আটকে রেখেছে। রেদোয়ান আহমেদকে মুক্ত করে ঘরে ফেরার ঘোষণা দেন বক্তারা। তার জন্য প্রয়োজন হলে সবাই কারাগারে যেতেও প্রস্তুত রয়েছেন বলেও জানান তাঁরা।

৯ মে চান্দিনা পৌর ভবনের সামনের সড়কে চান্দিনা যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা রেদোয়ান আহমেদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেন ও গাড়িতে তরমুজের খোসা ছোড়েন। এ সময় রেদোয়ান আহমেদ তাঁর লাইসেন্স করা শটগান থেকে গুলি করেন। এতে দুজন গুলিবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় রেদোয়ানসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০–২৫ জনের নামে চান্দিনা থানায় মামলা হয়। মামলার চার আসামি বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে আছেন।

আরো সংবাদ